
Max the Demon vs Entropy of Doom
Unknown Author

Bengali Literature
by Piotr Manteifel Translated By Nani Bhowmik
পিওতর মান্তেইফেলকয়েকটি পৃষ্ঠা পড়ুন প্রকৃতিকে ভালােবাসা যায় নানা ধরনে। ভালােবাসা যায়, কেননা ওটা রেওয়াজ, অরণ্যের শােভা, পাখির কাকলি কোনােটাতেই মুগ্ধ না হয়ে বলা যায় ‘দ্যাখাে, দ্যাখাে, কী সুন্দর’। এটা ভালােবাসা নয়। ভালােবাসা যায় শিল্পীর মতাে, তার গহন রহস্য উদ্ঘাটনের অসীম কৌতূহল নিয়ে। শেষত ভালােবাসা যায় এমনভাবে যাতে প্রকৃতির রূপে মুগ্ধ হয়েও, কৌতূহলী হয়েও তাকে চালনা করা হচ্ছে, তাকে পুনর্গঠিত করে বাড়িয়ে তােলা হচ্ছে তার সম্পদ। এ বইয়ের লেখক প্রফেসর পিওতর আলেক্সান্দ্রভিচ মান্তেইফেল (১৮৮৩-১৯৬০)-এর প্রকৃতিপ্রেম ছিল ঠিক এই রকম।পিওতরের যেন সাধারণ লােকের মতাে পাঁচটা নয়, আছে অনেক বেশি ইন্দ্রিয়। দীর্ঘদেহী, বৃষস্কন্ধ মানুষ তিনি, বন দিয়ে যখন যেতেন তখন তাঁর ছাত্রদের নবীন চোখেও যা ধরা পড়ত না, তা তিনি দেখতে পেতেন তাঁর শ্যেনচক্ষুতে। প্রত্যেকটি খসখস, প্রত্যেকটি শনশন কানে যেত তাঁর, সমস্ত পরিপার্শ্বকে তিনি যেন নিজের মধ্যে টেনে নিতেন। হাঁটতেন তিনি শব্দ না করে, বড়াে বড়াে পা ফেলে, শিস দিতেন পাখিদের উদ্দেশে, তারাও সাড়া দিত। তবে সবচেয়ে স্মরণীয়টা ঘটে পরে। প্রতিটি ঘটনা, প্রতিটি খুঁটিনাটি ব্যাখ্যা করতেন তিনি, সিদ্ধান্ত টানতেন এবং শেষে ব্যাপক সাধারণীকরণে পৌঁছতেন। অনুধ্যান, পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা- এই ছিল তাঁর ধ্বনি। আর 'প্রকৃতিবিদের কাহিনী'র সব গল্পেই পরিষ্কার দেখা যাবে তাঁর অনুসন্ধানের এই রীতি। নেহাত 'শিকার-কাহিনী' নয়, বড়াে একজন বৈজ্ঞানিকের বলা গল্প এগুলি। জন্তুজানােয়ারের জীবন সম্পর্কে চিত্তাকর্ষক খবরই তিনি দেন না, পাঠকদের নিয়ে যান সুনির্দিষ্ট এক-একটা সিদ্ধান্তে। এ'রকম গল্প তাঁর আছে অনেক, এখানে শুধু তার একাংশই সংকলিত হয়েছে। মূল রুশ থেকে অনুবাদ : ননী ভৌমিকপ্রকাশক ছাড়পত্র প্রকাশন [] বাকি তথ্য পেজের নিচে

Unknown Author

Purnendu Patrea

Sanjib Chakraborty

Abhijit Sengupta

Lev Tolstoy Arkady Gaidar Nikolai Nikolayevich Nosov Vladimir Suteev Nataliya Vo

Ryunosuke Akutagawa Translated By Sk Sabir Ali

Unknown Author

Sukumar Roy

Subrata Dasgupta

Sukumar Ray