Skip to main content
বাঙালি মুসলমানের খাদ্য-অভিধান

Bengali Literature

বাঙালি মুসলমানের খাদ্য-অভিধান

by Ekram Ali

₹0

About this book

একরাম আলিকয়েকটি পৃষ্ঠা পড়ুন মোগলদের রান্নাঘর ছিল প্রাসাদের অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সম্রাট যখন কোথাও যেতেন, সবার আগে পৌঁছে যেত তাঁদের রান্নাঘর। রাত দশটায় রাজকীয় রান্নাঘর সরাতেই হবে, যথাসময়ে প্রাতরাশ প্রস্তুত করা নিশ্চিত করতে। পরদিন সকালে সম্রাট পৌঁছবেন। ৫০টি উটের দল রান্নাঘরটি বহন করত। দুধ সরবরাহের জন্য ৫০টি উৎকৃষ্ট জাতের গরু। পরিবেশনের জন্য চীনা এবং অন্যান্য প্লেট বহন করত ২০০ জন কুলি। এছাড়াও রান্নার দায়িত্বে থাকত চৌখস সব খাদ্য-বিশারদ (একেকজনের জন্য শুধুমাত্র একটি রান্না বরাদ্দ)। পরিবেশিত হত মালাক্কা মখমলে সিল করা খাবার।এই ছিল দেশের সেরা হেঁশেলের চেহারা। আর, সে-সময়কার সাধারণ বাঙালি মুসলমানের রান্নাঘর ? সহজেই আমরা অনুমান করতে পারি। নুনে-ভাতে, সাদামাটা তরিতরকারিতে, মাছে-মাংসে, মাটির বা কাঁসার তৈজসপত্রে, কাঠের আগুনের ধোঁয়ায়, ঘুপচি সেই ঘরে যা-যা রান্না হত, সেসব বাঙালি খেয়ে আসছে চর্যাগীতি লেখারও বহু আগের থেকেই।তবু বলব, ত্রয়োদশ শতক থেকে বাঙালির হাজার বছরের খাদ্যাভ্যাসে হালকা হলেও তুর্কি আর ফার্সি ছোঁয়া লেগেছে। সে ছোঁয়া সুলতানি আমলের। পরে, ষোড়শ শতকের পরও, মোগলাই খাবারের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়েনি। পশ্চিমবঙ্গ আছে তার সেই সুলতানি যুগের খাবার নিয়েই।এটি রান্নার অভিধান। কিন্তু নিছক অভিধান নয়। চমৎকার ভাষায়, এরকমই নানা বিশ্লেষণে, বইটি অভিনব। প্রকাশনা দে'জ [] বাকি তথ্য পেজের নীচে