Skip to main content
অবিরত দ্বৈরথে বিজ্ঞান (প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব)

Bengali Literature

অবিরত দ্বৈরথে বিজ্ঞান (প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব)

by Ashish Lahiri

₹0

About this book

প্রথম পর্ব: হিন্দু-ইসলামি-খ্রিস্টীয় সংস্কৃতিবলয়দ্বিতীয় পৰ্ব: ইসলামি বলয়, চীন, জাপান, রাশিয়াআশীষ লাহিড়ীকয়েকটি পৃষ্ঠা পড়ুন খ্রিস্টধর্ম-কবলিত ইউরোপের তামস যুগে গ্রিক বিজ্ঞানের ঐতিহ্য বিনাযুদ্ধে নতিস্বীকার করেছিল। পরে ইসলামের বৈপ্লবিক সংস্পর্শে এসে ইউরোপে বিজ্ঞান অবশেষে জিতল। খ্রিস্টধর্মই তখন বিজ্ঞানের সঙ্গে আপোশ করবার জন্য উৎসুক হয়ে উঠল৷ অপরদিকে যে-ইসলাম ইউরোপকে নতুন করে বিজ্ঞান চেনাল, গত অন্তত আট-শো বছর ধরে সেই ইসলামি কৃষ্টিবলয়ে ধৰ্মই প্ৰভু, বিজ্ঞান পরাজিত। আর হিন্দু কৃষ্টিবলয়ে? সেখানে বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্মর কোনো জোরালো সংঘাতই কোনোদিন বাধেনি। ভারতের মহা-মহাবিজ্ঞানীরা অনায়াসেই অতি উচ্চমার্গের বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি পদে পদে ধর্মের সঙ্গে আপোশ করে নিয়েছিলেন। ব্যতিক্রম কেবল আর্যভট। আজকের হিন্দুত্ববাদ-কবলিত উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারতে সেই ধৰ্ম-বিজ্ঞান সহাবস্থানের ঐতিহ্য আরও শক্তিশালী হয়েছে। কেন এমন হয়? বিজ্ঞানের ইতিহাস মন্থন করে সেইসব প্রশ্নের তথ্যসমর্থিত উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে প্রথম পর্ব। ধর্ম-বিজ্ঞান দ্বৈরথে তৃতীয় মাত্রা হল রাষ্ট্র। পশ্চিম ইউরোপের রেনেসাঁস-উত্তর এনলাইট্‌ন্‌মেন্ট-এর প্রভাবে সেই 'অর্থোডক্স' অচলায়তনে একটু চিড় ধরলেও, তাকে প্রতিহত করার জন্য দরকার পড়ল বলশেভিক বিপ্লবের; আধুনিক বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি সেই নতুন রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর আমেরিকান রাষ্ট্রর ওপর পড়ল ‘ইন্ডাস্ট্রি- মিলিটারি সায়েন্স কমপ্লেক্স'-এর সর্বময় ছায়া। এশিয়াতে সম্রাট মেইজির আমলে ধর্মীয় আগল ভেঙে জাপানও কিছুদিনের মধ্যে অতিজাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রর ছত্রচ্ছায়ায় চলে এল বিশ্ববিজ্ঞান গবেষণার সামনের সারিতে। কনফুশীয় ধর্মভাবনার অন্ধগলি থেকে বিশ্ববিজ্ঞানের রাজপথে প্রবেশের জন্য চীনকে সুপরিকল্পিত বিপ্লব ঘটাতে হল; সেখানে রাষ্ট্রই বিজ্ঞানের নিয়ন্তা শক্তি। প্রশ্ন: চীন, জাপান, রাশিয়া, আমেরিকা প্রভৃতি বিজ্ঞানোন্নত দেশে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন মাত্রায় পিছু হঠলেও রাষ্ট্র কি ধর্মেরই মতো শ্বাসরোধী ভূমিকা পালন করছে? এইসব প্রশ্ন নিয়েই দ্বিতীয় পর্ব অবিরত দ্বৈরথে বিজ্ঞান: ইসলামি বলয়, চীন, জাপান, রাশিয়া। প্রকাশনা নির্ঝর ।। বাকি তথ্য পৃষ্ঠার নিচে